• ad-5
    হোমিওপ্যাথি বিডি.কম ওয়েব সাইটে আপনি কি নতুন ? তা হলে এখানে ক্লিক করুন । হোমিওপ্যাথি বিডি.কম সাইট থেকে উপাজিত অর্থের এক অংশ গরীব দূঃখীদের জন্য ব্যায় করা হয় । একটি ফ্রী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জন্য তৈরী বাংলা ব্লগ সাইট ।

পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম

এই পোষ্টটি সংরক্ষণ করা অথবা পরে পড়ার জন্য নিচের Save to Facebook বাটনে ক্লিক করুন ।

পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (পিসিওএস) হল মহিলাদের মধ্যে অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) এর মাত্রা বেড়ে যাবার জন্য কিছু উপসর্গের সমাহার।

লক্ষণ

পিসিওএস এর লক্ষণ ও উপসর্গের মধ্যে আছে ঋতু চক্র অনিয়মিত হওয়া বা না হওয়া, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মুখে এবং শরীরে অবাঞ্ছিত লোম, ব্রণ, পেটে ব্যথা, গর্ভধারণে ব্যর্থতা, এবং পুরু, গাঢ়, বেগুনি চামড়া দাগ। সংযুক্ত অবস্থাগুলির মধ্যে আছে টাইপ-২ বহুমূত্র রোগ, অতিস্থূলতা, অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া, হৃদরোগ, মেজাজ পরিবর্তন, এবং এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার।

কারণ এবং রোগ নির্ণয়

জিনগত এবং পরিবেশগত কারণের মিলিত প্রভাবে পিসিওএস হতে দেখা যায়।অতিস্থূলতা, যথেষ্ট ব্যায়াম না করা, আগে কারো হয়েছে এমন পারিবারিক ইতিহাস এই অসুখের ঝুঁকির কারণ। রোগনির্ণয় করা হয় নিম্নলিখিত তিনটির মধ্যে অন্তত দুটি পাওয়া গেলে: ডিম্বপাত না হওয়া, উচ্চ মাত্রার অ্যান্ড্রোজেন, এবং ওভারিয়ান সিস্ট।[৪] আল্ট্রাসাউন্ড করে সিস্ট আছে কিনা নির্ণয় করা যায়। একইরকম উপসর্গ দেখা যায় যেগুলিতে সেগুলি হল অ্যাড্রেনাল হাইপারপ্লেসিয়া, হাইপোথাইরয়েডিজম, এবং রক্তে উচ্চ ​​মাত্রায় প্রোল্যাক্টিন এর উপস্থিতি।

প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা

পিসিওএস ঠিক হয়না। জীবনধারায় পরিবর্তন, যেমন ওজন কমানো এবং ব্যায়াম করা, হল এর চিকিৎসা।জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করলে রজঃস্রাব স্বাভাবিক হয়, অবাঞ্ছিত লোম এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। মেটফরমিন এবং অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন ব্যবহার করলেও কাজ হতে পারে।বিশেষ রকম ব্রণ চিকিৎসা এবং অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। উর্বরতা বৃদ্ধি করার জন্য ওজন কমানোর সাথে ক্লমিফেন, বা মেটফরমিন ব্যবহার করা যেতে পারে। যাঁদের অন্যান্য ব্যবস্থা কাজ করেনি তাঁদের জন্য ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

রোগের প্রকোপ

১৮ থেকে ৪৪ বছরের মহিলাদের মধ্যে পিসিওএস হল সবচেয়ে সাধারণ এন্ডোক্রিন গ্রন্থি রোগ।এটি কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে তার উপর নির্ভর করে এই বয়সের প্রায় ২% থেকে ২০% মহিলাকে এই অসুখ প্রভাবিত করে। মহিলাদের উর্বরতা কম হবার জন্য এটি একটি প্রধান কারণ। এখন যাকে পিসিওএস বলা হয় সেই রোগের প্রাচীনতম বর্ণনা পাওয়া যায় ১৭২১ সালে ইটালিতে।

লক্ষণ ও উপসর্গ

পিসিওএস এর সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গের মধ্যে পড়ে:

  • ঋতুস্রাবের ব্যাধিগুলি: অধিকাংশ সময়ে পিসিওএস এর জন্য দেখা যায় অলিগোমেনোরিয়া (এক বছরে নয়ের কম ঋতুচক্র) বা অ্যামেনোরিয়া (পর পর তিন বা তার বেশি মাস ধরে কোন ঋতুস্রাব না হওয়া), কিন্তু অন্য কিছু কিছু ঋতুস্রাবের ব্যাধিও দেখা দিতে পারে।
  • বন্ধ্যাত্ব: এটি সরাসরি দীর্ঘস্থায়ী অ্যান ওভ্যুলেশন (ডিম্বপাত না হওয়া) থেকে আসে।
  • উচ্চ মাত্রায় পুরুষ হরমোন: এটিকে বলা হয় হাইপারঅ্যান্ড্রোজেনিজম, এবং এর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলি হল ব্রণ এবং হিরসুটিজম(শরীরে পুরুষের মত লোম, যেমন গালে এবং বুকে), কিন্তু এটি থেকে আবার হাইপারমেনোরিয়া (অতিরিক্ত এবং বেশিদিন চলা রক্তস্রাব), অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেশিয়া (চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা বিক্ষিপ্তভাবে চুল উঠে যাওয়া), অথবা অন্য কিছু লক্ষণ ও আসতে পারে। আন্দাজমত পিসিওএস আক্রান্ত (এনআইএইচ/এনআইসিএইচডি ১৯৯০ এর রোগনির্ণয়ের মানদণ্ড দ্বারা) তিন চতুর্থাংশ মহিলার হাইপারঅ্যান্ড্রোজেনিমিয়া পাওয়া গেছে।
  • বিপাকীয় লক্ষণ: দেখা গেছে সেন্ট্রাল ওবেসিটির প্রতি প্রবণতা এবং ইনসুলিন রেজিট্যান্স তৈরী হওয়ার মত কিছু লক্ষণ।পিসিওএস আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে সিরাম ইনসুলিন, ইনসুলিন রেজিট্যান্স, এবং হোমোসিস্টাইন এর মাত্রা বেশি থাকে।

অন্য জাতির থেকে পিসিওএস আক্রান্ত এশিয়ানদের হিরসুটিজম হবার সম্ভাবনা কম।

কারণ

অজানা কারণের জন্য পিসিওএস একটি হেটারোজেনাস ডিসঅর্ডার।কিছু প্রমাণ থেকে জানা গেছে এটি একটি জেনেটিক রোগ।এই প্রমাণগুলি সংগ্রহ করা হয়েছে পারিবারিক ইতিহাসে বেশি দেখতে পাওয়ার ক্ষেত্রে, ডাইজাইগোটিক যমজের তুলনায় অধিক ঘটা মোনোজাইগোটিক যমজ এর ক্ষেত্রে এবং এন্ডোক্রিন ও বিপাকীয় লক্ষণে পিসিওএস এর উত্তরাধিকারিতা থেকে। কিছু প্রমাণ থেকে জানা গেছে যে ইউটেরো তে সাধারণত মাত্রার থেকে উচ্চ মাত্রায় অ্যান্ড্রোজেনএর সম্মুখীন হলে পরবর্তী জীবনে পিসিওএস হবার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মহিলাদের মধ্যে জিনগত উপাদানগুলি উচ্চ জেনেটিক পেনিট্রেশন কিন্তু পরিবর্তনশীল এক্সপ্রেসিভিটি সহ অটোসোমাল ডমিনেন্ট ধরণে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বলে মনে হয়; এর অর্থ, প্রতিটি শিশুর ৫০% সম্ভাবনা থাকে পিতা বা মাতার থেকে জিনগত রূপান্তর (গুলি)র উত্তরাধিকারী হওয়ার, এবং, যদি একটি মেয়ে রূপান্তর (গুলি) পায়, মেয়েটি কিছু পরিমাণে অসুখটিও পাবে। জিনগত রূপান্তর (গুলি) বাবা অথবা মায়ের থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া যায়, এবং ছেলে বা মেয়ে উভয়তে চালিত হয় (ছেলেদের ক্ষেত্রে কেঊ উপসর্গহীন বাহক হতে পারে বা কিছু উপসর্গ থাকতে পারে যেমন অল্প বয়সে টাকপড়া এবং/অথবা অতিরিক্ত লোম) এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে, পিসিওএস এর লক্ষণ দেখা যাবে।অ্যালিল সহ মহিলাদের ক্ষেত্রে ওভারিয়ান ফলিকল এর থিকা কোষ থেকে উচ্চমাত্রায় অ্যান্ড্রোজেন ক্ষরিত হয়ে অন্তত আংশিকভাবে ফেনোটাইপ (কোনো জীবের বৈশিষ্ট্যগুলির বাহ্যিক প্রকাশ ওই জীবের ফেনোটাইপ বলে) নিজের বৃদ্ধি ঘটায়। ।ঠিক কোন জিনটি প্রভাবিত হয় তা এখনো চিহ্নিত করা যায়নি।  কিছু বিরল ঘটনায় দেখা গেছে, একটি মাত্র জিনের পরিব্যক্তি থেকে সিন্ড্রোমের ফেনোটাইপ ঘটতে পারে।লক্ষণগুলির রোগ সৃষ্টি করার ক্ষমতা বুঝে দেখা গেছে, এটি একটি জটিল বহু জিনগত অসুখ।

[ ভাল লাগলে পোস্ট টি অবশ্যই কমেন্ট বা শেয়ার করুন , শেয়ার বা কমেন্ট দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই শেয়ার করুন । ]

ঔষধি গাছ সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
homeopathy.com.bd
-
namaj.info bd news update 24 short film bd _Add
.
*** নিজে সুস্থ থাকি , অন্যকে সুস্থ রাখি । সাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ে যে কোন প্রশ্ন থাকলে জানাতে পারেন ! হোমিওপ্যাথি বিডি.কম একটি ফ্রী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জন্য তৈরী বাংলা ব্লগ সাইট । ***