Camphora – ক্যাম্ফরা

ক্যাম্ফরা মৃগী পুরোপুরি নির্মূল করতে না পারলেও মৃগীর আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে পারে এবং আক্রমণের সময়কাল কমিয়ে আনতে পারে। এতে সারা শরীরের সাথে সাথে এমনকি জিহ্বা, চোখ এবং মুখের পেশীতেও খিচুঁনি হওয়ার লক্ষণ আছে। আক্রমণের পরে বেহুঁশের মতো ঘুমাতে থাকে এবং হাত-পা-মাথা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়।

Calcarea carbonica – ক্যালকেরিয়া কার্ব

ক্যালকেরিয়া কার্বের রোগীদের পা দুটি থাকে ঠান্ডা, মাথা অর্থাৎ কপাল ঘামে বেশী, হাত দুটি থাকে নরম তুলতুলে, এদের ঘাম-পায়খানা-প্রস্রাব সবকিছু থেকে টক গন্ধ আসে এবং এদের স্বাস্থ্য থাকে থলথলে মোটা। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে উপরের দিকে ছড়াতে থাকে অথবা তলপেটের দিকে ছড়াতে থাকে এবং ইহার পরই খিচুঁনি শুরু হয়। কখনও কখনও মনে হয় হাতের ওপর একটি ইদুর দৌড়াচ্ছে।

Calcarea carbonica – যারা দীর্ঘদিন রোগে ভোগে বা অতিরিক্ত পরিশ্রম করে ভগ্নস্বাস্থ্য হয়ে পড়েছেন, যারা উচুঁ জায়গাকে ভয় পান, যারা সর্বদা ভয়ে থাকেন যে সামনে বিরাট বিপদ আসন্ন, তাদের এঙজাইটিতে ক্যালকেরিয়া কার্ব প্রযোজ্য।

Calcarea carbonica – ক্যালকেরিয়া কার্ব নামক ঔষধটি হলো হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে ভালো ভিটামিন। এটি ক্ষুধাহীনতা, অজীর্ণ, বদহজম, পেটের আলসার, ঘনঘন অসুখ-বিসুখ হওয়া, শারীরিক দুর্বলতা, স্মায়বিক দুর্বলতা, ব্রেনের দুর্বলতা, অপুষ্টি ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে পারে।

Calcarea carbonica – (মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) মোটা, স্থূলকায়, থলথলে শরীরের মেয়েদের ক্ষেত্রে ক্যালকেরিয়া কার্ব ভালো কাজ করে বিশেষত যদি সাথে কিছুটা রক্তশূণ্যতাও থাকে। এদের মাথা সহজেই ঘেমে যায়, অল্পতেই বুক ধড়ফড় করে এবং মাথা ব্যথা অথবা কাশি সারা বছর লেগেই থাকে।

Calcarea carbonica – অনেক শিশু ঘুমের ভেতরে গোঙাতে থাকে এবং চীৎকার করতে থাকে, এদেরকে Calcarea Carbonica নামক ঔষধটি (শক্তি ২০০) এক মাত্রা খাওয়ান। শিশু একটু বড় হলে এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকলে ১০০০ (1M) অথবা ১০,০০০ (10M) শক্তিতে একমাত্রা খাওয়াতে পারেন।

Calcarea Carbonica : যাদের কৃমির সমস্যা খুব বেশী, কিছুদিন পরপরই ঔষধ খেতে হয় ; তারা (কয়েক সপ্তাহ) ক্যালকেরিয়া কার্ব খেলে ঘন ঘন কৃমি হওয়ার অভ্যাস চলে যাবে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Indigo – ইন্ডিগো

সাধারণত কৃমির উৎপাতের কারণে মৃগীর খিচুঁনি হলে ইন্ডিগো ভালো কাজ করে। ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হলে ইন্ডিগো ব্যবহার করে তার মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা যায়। ইন্ডিগোর রোগীদের মৃগীর আক্রমণের পূর্বে মেজাজ থাকে ভীষণ খারাপ আবার মনের দুঃখে তারা রাতের পর রাত একা একা কাঁদে কিন্তুআক্রমণে পরে তারা ভীতু হয়ে যায়। এদের আক্রমণ শুরু হয় ঠান্ডা থেকে অথবা ভয় পেলে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে মাথার দিকে গরম ভাপ উঠতে থাকে এবং মাথার ভেতরে ঢেউ খেলানোর মতো অনুভব হয়। কখনও কখনও চোখে ঝাপসা দেখে। যে-কোন কৃমির ঔষধই গর্ভবতীদের খাওয়ানো নিষিদ্ধ, তেমনি এটিও।

Indigo : ইন্ডিগো কৃমির উৎপাতের ক্ষেত্রে একটি ভালো ঔষধ। কৃমির কারণে মৃগীর আক্রমণ, খিচুঁনি অথবা জ্বর হলে ইন্ডিগো ব্যবহার করতে পারেন।

Kali bromatum – ক্যালি ব্রোম

পুরুষদের বেলায় অতিরিক্ত যৌনকর্ম বা হস্তমৈথুন থেকে মৃগী রোগ হলে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অথবা মাসিকের কিছু পূর্বে মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে ক্যালি ব্রোম প্রযোজ্য। এদের শরীরের ব্রণ থাকে প্রচুর, স্মরণশক্তি দুর্বল, হাত দুটি সর্বদা কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

Kali bromatum – ক্যালি ব্রোম মুখের, বুকের, কাধের এবং ঘাড়ের ব্রণ নিরাময়ে একটি সর্বোৎকৃষ্ট ঔষধ (৩০ শক্তি)। ব্রিটিশ হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডাঃ ক্লার্কের মতে, খুব কম ব্রণই আছে যা ক্যালি ব্রোমে নিরাময় হয় না।

Cicuta virosa – সিকিউটা

সিকিউটা মৃগীর ভাল ঔষধগুলোর মধ্যে একটি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো খিচুনির সময় মাথা পেছন দিকে বাঁকা হওয়া,অদ্ভূত ধরণের জিনিস খাওয়া ইচ্ছা হওয়া (যেমনকয়লা), এক দৃষ্টিতে কোন দিকে তাকিয়ে থাকা, মাথা এক দিকে কাত হওয়া বা মোচড় দেওয়া, সারাদিন বাম হাতে ঝাকুনি দেওয়া ইত্যাদি।

Artemisia vulgaris – আর্টিমিসিয়া ভালগেরিস

ভয় পেয়ে, মনের আবেগ-উত্তেজনা থেকে, মাথায় আঘাত পাওয়া, মাসিকের গন্ডগোল, শিশুদের দাঁত ওঠার সময় প্রভৃতি কারণে মৃগীর আক্রমণ হলে আর্টিমিসিয়া ভালগেরিস প্রযোজ্য। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হওয়া, এমনকি দিনে কয়েকবার, আক্রমণ শেষে গভীর ঘুম পাওয়া এবং দুর্গন্ধযুক্ত (রসুনের মতো) প্রচুর ঘাম হওয়া। হালকা মাত্রার মৃগীতেও এটি ফলদায়ক (petit mal seizure)। এটি শিশু এবং আসন্ন যৌবনা তরুণীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাযর্কর।

Hydrocyanic acid – হাইড্রোসায়ানিক এসিড

হিউজের মতে, হাইড্রোসায়ানিক এসিড মৃগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্প্যাসিফিক ঔষধ। নতুন রোগের ক্ষেত্রে এটি সর্বোত্তম ঔষধ। এতে অজ্ঞান হওয়া, মুষ্টিবদ্ধ হাত, কিছু গিলার সময় ভেতরে গরগর শব্দ হওয়া, শরীর পাথরের মতো ঠান্ডা হওয়া, দাঁত কপাটি লাগা, মুখ থেকে ফেনা নির্গত হওয়া, ঢোক গিলতে না পারা প্রভৃতি সব লক্ষণই আছে। মৃগীর আক্রমণের পরে ঘুমঘুম ভাব এবং ভীষণ দুর্বলতা-অবসন্নতা-ক্লান্তি আছে।

Oenanthe crocata – ওইন্যান্থক্রোকেটা

ওইন্যান্থক্রোকেটা মৃগীর শ্রেষ্ট ঔষধগুলির মধ্যে একটি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো হঠাৎ সম্পূর্ণ অচেতন হওয়া, মুখ দিয়ে ফেনা ওঠা, মুখমণ্ডল লাল এবং ফোলা ফোলা, দাঁত কপাটি লাগা এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। মৃগীর আক্রমণের সময় যাদের বমি হয় অথবা কানের পর্দায় সমস্যা হয় অথবা পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।

Bufo rana – বিউফোর

ব্যাঙের বিষ থেকে তৈরী করা এই ঔষধটি মৃগী রোগের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। মৃগী রোগের খিচুঁনি যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে, রোগীর তখনকার অঙ্গভঙ্গি এবং লাফালাফির সাথে ব্যাঙের আকৃতি এবং লম্ফজম্ফের একটা অদ্ভূত মিল আছে। যে-সব যুবক-যুবতী অতিরিক্ত যৌনকর্ম অথবা হস্তমৈথুনের কারণে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য বিউফো এক নাম্বার ঔষধ। বিউফোর লক্ষণ হলো মৃগীর আক্রমণের শুরুতে চীৎকার দেওয়া, মুখমন্ডল লাল হওয়া এবং মৃগীর আক্রমণ চলে যাওয়ার পরে ঘুমিয়ে যাওয়া। মাঝরাতে, মাসিকের সময়, অমাবশ্যা এবং যৌন উত্তেজনার সময় মৃগীর আক্রমণ বেশী হয়। রাতে ঘুমের মধ্যে মৃগীর আক্রমণ বেশী হয় এবং রোগীর ঘুম ভাঙতেও পারে আবার নাও ভাঙতে পারে। তবে ঘুম থেকে ওঠার পরে তার প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হয়। রোগী ঠান্ডা বাতাস অপছন্দ করে কিন্তুগরম রুমে আবার রোগের উৎপাত বৃদ্ধি পায়।

Syphilinum – সিফিলিনাম

অতীতে যাদের সিফিলিস হয়েছিল অথবা যাদের পিতা-মাতা-স্বামী-স্ত্রীর সিফিলিস ছিল, তাদেরকে সিফিলিনাম না খাইয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাঁপানি স্থায়ীভাবে সারানো যায় না। সিফিলিনামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রাতের বেলা সকল রোগ বৃদ্ধি পায়, বাতের সমস্যা লেগেই থাকে, দাঁত দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়, মদ বা অন্যান্য মাদক দ্রব্যের প্রতি আসক্তি, স্মরণশক্তি দুর্বল, বেশী বেশী হাত ধোয়ার অভ্যাস, দুরারোগ্য কোষ্টকাঠিন্য ইত্যাদি। এটি ২০০, ১০০০ এবং ১০,০০০ শক্তিতে একমাস পরপর মোট ৩ মাত্রা খাওয়া উচিত।

Medorrhinum – মেডোরিনাম

অতীতে যাদের গনোরিয়া (Gonorrhoea) হয়েছিল অথবা যাদের পিতা-মাতা-স্বামী-স্ত্রীর গনোরিয়া ছিল, তাদেরকে মেডোরিনাম না খাইয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাঁপানি স্থায়ীভাবে সারানো যায় না। মেডোরিনামের প্রধান লক্ষণ হলো পেট নীচের দিকে এবং পিঠ উপরের দিকে দিয়ে শুইলে (নামাযের সেজদার পজিশনে) এবং জিহ্বা বের করে রাখলে হাঁপানি কমে এবং এরা গরম সহ্য করতে পারে না। এটি ২০০, ১০০০ এবং ১০,০০০ শক্তিতে একমাস পরপর মোট ৩ মাত্রা খাওয়া উচিত।

Medorrhinum – শিশুদের মাত্রাতিরিক্ত দুষ্টুমির জন্য মেডোরিনাম ( ১০০০) খাওয়ান। যারা ঘরের ভেতর স্বৈরাচার কিন্তু বাইরে অতিশয় ভদ্রলোক তাদের জন্য লাইকো (১০,০০০) ঔষধটি খুবই ফলদায়ক।

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Bacillinum – বেসিলিনাম

অতীতে যাদের যক্ষ্মা হয়েছিল অথবা যাদের পিতা-মাতা-ভাই-বোন বা স্বামী-স্ত্রীর যক্ষ্মা বা হাঁপানি ছিল, তাদেরকে বেসিলিনাম না খাইয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাঁপানি স্থায়ীভাবে সারানো যায় না। বেসিলিনামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো ঘনঘন সর্দি লাগা, ভীষণ ক্ষুধা, প্রচুর খায় কিন্তু তারপরও দিনদিন শুকিয়ে যায়, ভ্রমণ করতে খুবই পছন্দ করে, খোলা বাতাসের জন্য পাগল, এক জায়গায় বেশী ক্ষণ থাকতে – এক কাজ বেশী ক্ষণ করতে ভালো লাগে না, রাতের বেলা হাঁপানি বেড়ে যায়। এটি ২০০, ১০০০ এবং ১০,০০০ শক্তিতে একমাস পরপর মোট ৩ মাত্রা খাওয়া উচিত।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Pothos Foetida – পোথোজ

ধুলোবালির কারণে যদি হাঁপানীর ‍আক্রমণ হয় অথবা হাঁপানীর উৎপাত বৃদ্ধি পায়, তবে চোখ বুজে পোথোজ খেতে পারেন।

Psorinum – সোরিনাম

শুয়ে থাকলে এবং দুই হাত ছড়িয়ে রাখলে হাঁপানীর কষ্ট কমে এবং হাত বুকের কাছে আনলে কষ্ট বৃদ্ধি পায়, লক্ষণে সোরিনাম খেতে হবে।

Arsenicum Iodatum – আর্সেনিকাম আয়োডেটাম

শীতকাতর রোগী কিন্তু গরমে হাঁপানীর কষ্ট বৃদ্ধি পায়, লক্ষণে আর্সেনিকাম আয়োডেটাম খেতে হবে ।

Fragaria vesca

স্তনদুগ্ধ হ্রাস করতে বা শুকিয়ে ফেলতে  Fragaria vesca ঔষধ টি (৩০ বা ২০০ শক্তিতে) রোজ তিনবেলা করে কিছুদিন খান।

Chionanthus virginica

স্তনদুগ্ধ হ্রাস করতে বা শুকিয়ে ফেলতে Chionanthus virginica ঔষধ টি (৩০ বা ২০০ শক্তিতে) রোজ তিনবেলা করে কিছুদিন খান।

Ricinus communis – রিসিনাস

স্তনে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধিতে রিসিনাস ঔষধটি শ্রেষ্টত্বের দাবীদার। এটি এমনকি কুমারী এবং বিধবাদের স্তনেও দুধ আনতে পারে।

Iodium – আয়োডিয়াম

মধ্যবয়স্ক নারীদের স্তন শুকিয়ে চুপসে গেলে আয়োডিয়াম (শক্তি ১০,০০০) ঔষধটি মাসে একমাত্রা করে কয়েক মাস খান।

Iodium – আয়োডিয়াম ঔষধটি রাক্ষসের মতো ক্ষুধা তৈরী করতে পারে। আয়োডিয়ামের লক্ষণ হলো প্রচুর খায় কিন্তু তারপরও দিনদিন শুকিয়ে যেতে থাকে এবং গরম সহ্য করতে পারে না। যাদের ক্ষুধা খুব বেশী তারা এটি খেলে ক্ষুধা কমে আসবে। অন্যদিকে যাদের ক্ষুধা খুবই কম তারা খেলে ক্ষুধা বেড়ে যাবে। খেতে হবে নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬) পাঁচ ফোটা করে রোজ তিনবার।

Iodium : আয়োডিয়াম ঔষধটি যারা অনেকদিন যাবত মাথাঘুরানিতে ভোগছেন অথবা ঘনঘন মাথাঘুরানিতে আক্রান্ত হন, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বৃদ্ধদের মাথাঘুরানির ক্ষেত্রেও এটি একটি শ্রেষ্ট ঔষধ।

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !