Category Archives: অজ্ঞান

Coma, unconsciousness, Shock (অজ্ঞান হওয়া) ঃ- অজ্ঞান বা অচেতন হওয়ার কারণ এবং লক্ষণের উপর ভিত্তি করে ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে।

Glonoine – গ্লোনইন

কড়া রৌদ্রে থাকার কারণে মাথাব্যথা বা অজ্ঞান হলে গ্লোনইন দশ মিনিট পরপর খাওয়াতে থাকুন।

Glonoine – গ্লোনইন হলো বুকের ব্যথার এক নাম্বার ঔষধ যা সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ ছাড়াই দেওয়া যায়। পাশাপাশি এটি হাই ব্লাড প্রেসারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

Coffea cruda – কফিয়া

সুসংবাদ শুনে অজ্ঞান হলে কফিয়া ঔষধটি দশ মিনিট পরপর খাওয়ান।

Coffea cruda – অতিরিক্ত মানসিক উত্তেজনার জন্য কফিয়া (৩,৬,৩০,২০০)

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Phosphorus – ফসফরাস

বৈদ্যুতিক শক বা বজ্রপাতে অজ্ঞান হলে ফসফরাস দশ মিনিট পরপর খাওয়াতে থাকুন।

China officinalis – চায়না

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অজ্ঞান হলে চায়না ঘনঘন খাওয়াতে থাকুন।

China officinalis – ব্যথা যদি নির্দিষ্ট সময় পরপর একেবারে ঘড়ির কাটা কাটায় আসে, তবে তাতে চায়না প্রযোজ্য। ব্যথা পেটে চাপ দিলে কমে যায়। পেটে প্রচুর গ্যাস হওয়ার কারণে ব্যথা।

Hypericum perforatum – হাইপেরিকাম

দাঁত উঠানোর কারণে অথবা শরীরের কোন সেনসেটিভ জায়গায় (অণ্ডকোষ, মাথা, পাছার নিকটের কন্ডার হাড়, আঙ্গুলের মাথায় ইত্যাদি) আঘাত লাগার কারণে (ব্যথার চোটে) অজ্ঞান হলে হাইপেরিকাম ঘনঘন কয়েক মাত্রা খাওয়ান।

Carbo vegetabilis

কোনো মুমুর্ষ রোগী অত্যধিক রোগ যন্ত্রণার কারণে অজ্ঞান হয়ে গেলে কার্বো ভেজ ঔষধটি পাঁচ/দশ মিনিট পরপর খাওয়াতে থাকুন। ঔষধ মুখের/ ঠোটের ভেতরে রাখতে পারলেই চলবে অথবা ঘ্রাণের সাথে ব্যবহার করুন। যে-কোন বিপজ্জনক পরিস্থিতি সামলাতেও (অর্থাৎ অন্তিম মুহুর্তে) সাময়িক ভাবে Carbo vegetabilis অথবা Camphora ঔষধটি ব্যবহার করতে পারেন। এই দুইটি ঔষধকে বলা হয় হোমিওপ্যাথিক কোরামিন।

Opium – ওপিয়াম

কোষ্টকাঠিন্যের ক্ষেত্রে ওপিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো পায়খানার বেগই হয় না, এমনকি সাতদিন্তপনেরদিনেও পায়খানার বেগ হয় না। পায়খানা হয় ছাগলের লাদির মতো ছোট ছোট, গোল গোল, কালো, শক্ত শক্ত। যদি আঙুল দিয়ে কারো পায়খানা বের করতে হয়, তবে এমন ক্ষেত্রে অপিয়াম ঔষধটির কথা সর্ব প্রথম চিনতা করা উচিত।

Opium – ভয় পেয়ে মুর্ছা গেলে Opium ঔষধটি দশ মিনিট পরপর খাওয়াতে থাকুন।

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Arnica montana – আর্নিকা

বুকে বা অন্য কোথাও আঘাত পাওয়ার কারণে যদি কাশি দেখা দেয়, তবে আর্নিকা হলো তার এক নাম্বার ঔষধ। কাশি দিলে যদি বুকে বা গলায় ব্যথা পাওয়া যায়, তবে এমন কাশিতে আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। অনেক সময় দেখবেন, শিশুরা কাশির সময় বা কাশির আগে-পরে কাদতে থাকে। ইহার মানে হলো কাশির সময় সে বুকে বা গলায় প্রচণ্ড ব্যথা পায়। এরকম কাশিতে আর্নিকা দিতে হবে। আর্নিকার কাশিতে গলায় সুড়সুড়ি হয়, শিশু রেগে গেলে কাশতে শুরু করে।

Arnica montana – আর্নিকা বুকে ব্যথার সবচেয়ে ভালো ঔষধ। যাদের ঘনঘন বুকে ব্যথা উঠে অথবা যাদের একবার হার্ট এটাক (স্ট্রোক) হয়েছে, তাদের সব সময় আর্নিকা ঔষধটি পকেটে নিয়ে চলাফেরা করা উচিত। এটি আপনাকে হার্ট এটাকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়া বা অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করবে।

Arnica montana – ব্যথা পাওয়া বা আঘাত পাওয়ার পরে কোষ্টকাঠিন্য দেখা দিলে আর্নিকা খেতে হবে।

Arnica montana – উপর থেকে পড়ে গিয়ে বা আঘাত পেয়ে মুচর্ছা গেলে আর্নিকা দশ মিনিট পরপর খাওয়াতে থাকুন।

Arnica montana – আর্নিকা ঔষধটির টাকে চুল গজানোর ক্ষমতা আছে। এটি নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬) তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন অথবা সরাসরি টাক পড়া স্থানে মালিশ করতে পারেন।

Arnica montana – রাতের বেলা হঠাৎ মৃত্যু ভয় নিয়ে ঘুম ভেঙ্গে গেলে (এখনই মারা যাবো এমন আশঙ্কা করলে, হার্টের অসুখ থাক বা না থাক) Arnica montana ঘনঘন খেতে থাকুন। এটি হার্ট এটাক ঠেকানোর শ্রেষ্ট ঔষধ।

Arnica montana – যে-কোন ঘা কিংবা ফোড়ায় আর্নিকার প্রধান লক্ষণ হলো মাত্রাতিরিক্ত ব্যথা। তাতে স্পর্শ করলে এমনই প্রচণ্ড ব্যথা হয় যে, রোগী তার দিকে কাউকে আসতে দেখলেই ভয় পেয়ে যায় এবং সাবধানতা অবলম্বন করে যাতে ফোড়া-ঘায়ে কোন ধাক্কা না লাগে। যাদের শরীরে ছোট ছোট ফোড়া একটার পর একটা উঠতেই থাকে এবং সেগুলোতে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে, তারা আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। কোন স্থানে আঘাত লেগে যদি ঘা হয় বা ফোড়া হয়, তবে আর্নিকা সেবন করা উচিত। আর্নিকা কেবল ব্যথার ঔষধ নয় বরং এটি একই সাথে ঘা/পুঁজ ও সারিয়ে দেয় অর্থাৎ এন্টিবায়োটিকের কাজও করে থাকে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Ignatia amara – ইগ্নেশিয়া

অল্প সময় বা অল্প কয়েকদিন পূর্বে বড় ধরণের মানসিক আঘাত পাওয়ার কারণে বিষন্নতার সৃষ্টি হলে তাতে ইগ্নেশিয়া প্রয়োগ করতে হবে। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো কোন কারণ ছাড়াই হাসে-কাদে, কিছুক্ষণ পরপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে, হাই তোলে, গলার মধ্যে একটা চাকার মতো কিছু আটকে আছে মনে হওয়া, নিদ্রাহীনতা, মাথাব্যথা, পেটের মধ্যে খামচে ধরা ব্যথা ইত্যাদি।

Ignatia – ইগ্নেশিয়া হলো অদ্ভূত সব লক্ষণের ঔষধ। যেমন কানের শো শো শব্দ গান শুনলে কমে যায়, পাইলসের ব্যথা হাটলে কমে যায়, গলা ব্যথা ঢোক গেলার সময় কমে যায়, মাথা ব্যথা মাথা নীচু করলে কমে যায় ইত্যাদি। যত কাশে তত কাশি বেড়ে যায়- এই লক্ষণ থাকলে তাতে ইগ্নেশিয়া প্রয়োগ করতে হবে। সাধারণত শোক, দুঃখ, বিরহ, বিচ্ছেদ, প্রেমে ব্যর্থতা, আপনজনের মৃত্যু ইত্যাদি কারণে যে-কোন রোগ হলে তাতে ইগ্নেশিয়া প্রযোজ্য।

Ignatia – দুঃসংবাদ শুনে অজ্ঞান হলে ইগ্নেশিয়া ঔষধটি পাঁচ/দশ মিনিট পরপর খাওয়ান।

Ignatia – দুঃসংবাদ শোনার পরে অথবা বিরহ-বিচ্ছেদ-ছ্যাকা খাওয়ার কারণে, মনে কষ্ট পাওয়ার কারণে পেটে ব্যথা হলে ইগ্নেশিয়া খেতে হবে।

Ignatia – সাধারণত শোক, দুঃখ, বিরহ, বিচ্ছেদ, হতাশা, সমালোচনা, একাকিত্ব ইত্যাদি আবেগজনিত কারণে এংজাইটি হলে ইগ্নেশিয়া ঔষধটি দারুণ কাজে দিবে। উপরোক্ত আবেগজনিত কারণে অনিদ্রা, পেট ব্যথা, মাথা ব্যথা, ডায়েরিয়া, মাথা ঘুরানি, কান্নাকাটি ইত্যাদি যে-কোন সমস্যা দেখা দিলে ইগ্নেশিয়া আপনাকে তা থেকে সহজেই মুক্তি দিবে।

Ignatia – প্রেমে ব্যর্থতা, বিষণ্নতা, আপনজনের মৃত্যু, বিরহ, ভীষণ মানসিক কষ্ট ইত্যাদির পরে প্রথমে ইগ্নেশিয়া(৩,৬) এবং পরে নেট্রাম মিউর (২০০, ১০০০) খাওয়া জরুরি।

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !