Category Archives: মাসিক

Amenorrhea (মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) :- সাধারণত পনের বছর বয়স থেকে মেয়েদের মাসিক ঋতুস্রাব শুরু হয় এবং পঞ্চাশ বছর বয়সের দিকে তা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত গর্ভকালীন অবস্থায় এবং শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় পিরিয়ড বন্ধ থাকে। এই দুই সময় ছাড়া অন্য সময়ে মাসিক বন্ধ থাকলে তার পেছনে কোন রোগ আছে বলে ধরে নিতে হবে।

Kalium Iodatum – ক্যালি আয়োড

ভয়ানক বদমেজাজের জন্য নাক্স ভমিকা, ক্যামোমিলা কিংবা ক্যালি আয়োড ( ৩০,২০০) খান।

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Tuberculinum – টিউবারকুলিনাম

কথায় কথায় ভাঙচুর বা ধ্বংসাত্মক আচরণে অভ্যস্থ, অল্পতেই ভীষণ ক্ষেপে যায়, কুকুরকে ভয় পায়, ভ্রমণ পছন্দ লক্ষণে টিউবারকুলিনাম (১০০০) শক্তি মাসে একমাত্রা করে কয়েক মাস খান এবং পরবর্তীতে শক্তি বৃদ্ধি করে খান।

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Kali Carbonicum – ক্যালি কার্বনিকাম

Kali Carbonicum –  ক্যালি কার্বনেট / পটাশিয়াম কার্বনেট হতে প্রস্তুত। রাসায়নিক চিহ্ন : K2CO3

যে-রোগীর লক্ষণ নেট্রাম মিউরের মতো অথচ নেট্রাম মিউরে কোন কাজ হয় না, সেক্ষেত্রে ক্যালি কার্ব দিতে হবে।

Lachesis – ল্যাকেসিস

Lachesis – ভাইপার / লাঞ্চহেডেড / চুরুকুকু সাপের বিষ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : অফ দিয়া । পরিবার : ক্রোটালিডেই ।

(মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) ল্যাকেসিসের লক্ষণ হলো পিরিয়ড শুরু হলে নাক থেকে রক্তক্ষরণ এবং মাথা ব্যথা ভালো হয়ে যায়।

Lachesis – ল্যাকেসিস গ্যাংগ্রিনের আরেকটি শ্রেষ্ট ঔষধ। সাপের বিষ থেকে তৈরী এই ঔষধটির প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো আক্রান্ত স্থান নীলচে অথবা বেগুনি রঙ ধারণ করে, অল্প একটু কাটা থেকে প্রচুর রক্ত যায়, বেশী ভাগ ক্ষেত্রে রোগ প্রথমে শরীরের বাম পাশে আক্রমণ করে এবং সেখান থেকে ডান পাশে চলে যায়, সাংঘাতিক ব্যথার কারণে আক্রান্ত স্থান স্পর্শই করা যায় না, ঘুমের মধ্যে রোগের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, বেশী বেশী কথা বলে, হিংসুটে স্বভাবের ইত্যাদি ইত্যাদি।

Lachesis – লোকেরা বিষ খাওয়ায়ে হত্যা করবে, ঔষধ খেতে অস্বীকার করা, অতিপ্রাকৃত কেউ তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে মনে করা, সারাক্ষণ বকবকানিতে ব্যস্ত, মিনিটে মিনিটে কথার প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলে, হিংসাত্মক মানসিকতা, কল্পনায় হাতি-ঘোড়া মারার বক্তৃতা, গরমকাতরতা, রাতের বেলা বৃদ্ধি ইত্যাদি লক্ষণযুক্ত মানসিক অসুস্থতায় ল্যাকেসিস ঔষধটি প্রযোজ্য। ২০০ শক্তি থেকে খাওয়ানো শুরু করে ক্রমান্বয়ে উচ্চশক্তিতে যান।

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

 

Senecio aureus – সিনিসিও আউরিয়াস

Senecio aureus – লাইফ রুট / সিনিসিও গ্র্যাসিলিস / স্কোয় উইড গাছ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : কমপোজিটাই ।

(মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) শরীরে রক্ত কম থাকলে অর্থাৎ যারা রক্তশূণ্যতায় ভোগছেন, তাদের জন্য সিনিসিও অরিয়াস ভালো কাজ করে। এদের হাত-পা সব সময় ঠান্ডা এবং ঘামে ভিজা ভিজা থাকে।

Ferrum metallicum – ফেরাম মেট

ফেরাম মেট হোমিওপ্যাথিতে রক্তশূণ্যতার এক নম্বর ঔষধ। ইহার লক্ষণ হলো সাধারণভাবে মুখের রঙ থাকে ফ্যাকাসে-সাদাটে কিন্তু একটু আবেগপ্রবন হলেই মুখের রঙ লাল হয়ে যায়। তাছাড়া হাত-পা-মুখে ফোলা ফোলা ভাব থাকে এবং অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কেউ কেউ খাওয়ার পরে বমি করে দেয়। ইহারা সর্বদা শীতে কাঁপতে থাকে এবং সন্ধ্যার দিকে জ্বরে ভোগে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে Ferrum phosphoricum নামক ঔষধটি ফেরাম মেটের চাইতে ভালো কাজ করে থাকে। সুসলারের মতে, প্রথমে খেতে হবে Calcarea phosphorica এবং পরে খাওয়া উচিত Ferrum phosphoricum নামক ঔষধটি।

Ferrum metallicum – (মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া)ফেরাম মেট-এর লক্ষণ হলো দুর্বলতা, সাদাটে মুখ, বুক ধড়ফড়ানি, মুখ-চোখ ফোলা ফোলা, চোখের চারদিকে কালি পড়ে গেছে, দেখতেই মনে হয় অসুস্থ।

Ferrum metallicum : সাধারণত রক্তশূণ্যতার কারণে মাথা ঘুরালে ফেরাম মেট ঔষধটি ব্যবহৃত হয়। যেমন শোয়া থেকে হঠাৎ বসলে অথবা বসা থেকে হঠাৎ দাড়াঁলে মাথা ঘুরানো।

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Calcarea carbonica – ক্যালকেরিয়া কার্ব

ক্যালকেরিয়া কার্বের রোগীদের পা দুটি থাকে ঠান্ডা, মাথা অর্থাৎ কপাল ঘামে বেশী, হাত দুটি থাকে নরম তুলতুলে, এদের ঘাম-পায়খানা-প্রস্রাব সবকিছু থেকে টক গন্ধ আসে এবং এদের স্বাস্থ্য থাকে থলথলে মোটা। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে উপরের দিকে ছড়াতে থাকে অথবা তলপেটের দিকে ছড়াতে থাকে এবং ইহার পরই খিচুঁনি শুরু হয়। কখনও কখনও মনে হয় হাতের ওপর একটি ইদুর দৌড়াচ্ছে।

Calcarea carbonica – যারা দীর্ঘদিন রোগে ভোগে বা অতিরিক্ত পরিশ্রম করে ভগ্নস্বাস্থ্য হয়ে পড়েছেন, যারা উচুঁ জায়গাকে ভয় পান, যারা সর্বদা ভয়ে থাকেন যে সামনে বিরাট বিপদ আসন্ন, তাদের এঙজাইটিতে ক্যালকেরিয়া কার্ব প্রযোজ্য।

Calcarea carbonica – ক্যালকেরিয়া কার্ব নামক ঔষধটি হলো হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে ভালো ভিটামিন। এটি ক্ষুধাহীনতা, অজীর্ণ, বদহজম, পেটের আলসার, ঘনঘন অসুখ-বিসুখ হওয়া, শারীরিক দুর্বলতা, স্মায়বিক দুর্বলতা, ব্রেনের দুর্বলতা, অপুষ্টি ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে পারে।

Calcarea carbonica – (মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) মোটা, স্থূলকায়, থলথলে শরীরের মেয়েদের ক্ষেত্রে ক্যালকেরিয়া কার্ব ভালো কাজ করে বিশেষত যদি সাথে কিছুটা রক্তশূণ্যতাও থাকে। এদের মাথা সহজেই ঘেমে যায়, অল্পতেই বুক ধড়ফড় করে এবং মাথা ব্যথা অথবা কাশি সারা বছর লেগেই থাকে।

Calcarea carbonica – অনেক শিশু ঘুমের ভেতরে গোঙাতে থাকে এবং চীৎকার করতে থাকে, এদেরকে Calcarea Carbonica নামক ঔষধটি (শক্তি ২০০) এক মাত্রা খাওয়ান। শিশু একটু বড় হলে এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকলে ১০০০ (1M) অথবা ১০,০০০ (10M) শক্তিতে একমাত্রা খাওয়াতে পারেন।

Calcarea Carbonica : যাদের কৃমির সমস্যা খুব বেশী, কিছুদিন পরপরই ঔষধ খেতে হয় ; তারা (কয়েক সপ্তাহ) ক্যালকেরিয়া কার্ব খেলে ঘন ঘন কৃমি হওয়ার অভ্যাস চলে যাবে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Thlaspi bursa pastoris – বারসা পেসটোরাই

এটি কিডনীর পাথরের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। নিয়মিত খেলে পাথর ছোট হতে থাকে এবং প্রস্রাবের সাথে অটোমেটিকভাবে বেরিয়ে যায়।

Thlaspi bursa pastoris – বারসা পেসটোরাই মাসিক বন্ধের চিকিৎসায় একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। বিশেষত খেতে হবে নিম্নশক্তিতে (Q) ৫ থেকে ১০ ফোটা করে রোজ তিনবার।

Coffea cruda – কফিয়া

সুসংবাদ শুনে অজ্ঞান হলে কফিয়া ঔষধটি দশ মিনিট পরপর খাওয়ান।

Coffea cruda – অতিরিক্ত মানসিক উত্তেজনার জন্য কফিয়া (৩,৬,৩০,২০০)

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Bryonia alba – ব্রায়োনিয়ার

ব্রায়োনিয়ার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রোগীর ঠোট-জিহ্বা-গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকে এবং প্রচুর পানি পিপাসা থাকে এবং রোগী অনেকক্ষণ পরপর একসাথে প্রচুর ঠান্ডা পানি পান করে। রোগী অন্ধকার এবং নড়াচড়া অপছন্দ করে ; কারণ এতে তার কষ্ট বৃদ্ধি পায়। কোষ্টকাঠিন্য দেখা দেয় অর্থাৎ পায়খানা শক্ত হয়ে যায়। রোগীর মেজাজ খুবই বিগড়ে থাকে এবং সে একলা থাকতে পছন্দ করে। কাশি দিলে মনে হয় মাথা এবং বুক টুকরো টুকরো হয়ে ছিঁড়ে যাবে।

Bryonia alba – ব্রায়োনিয়ার প্রধান লক্ষণ হলো পায়খানা হবে বড় বড় লম্বা লম্বা সাইজে, শুকনা, শক্ত এবং দেখতে পোড়াপোড়া। কোন কোন চিকিৎসা বিজ্ঞানীর মতে, শিশুদের, বদমেজাজী লোকদের এবং বাতের রোগীদের কোষ্টকাঠিন্যে এটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে। যদি গলা শুকিয়ে থাকে এবং প্রচুর পানি পিপাসা থাকে, তবে ব্রায়োনিয়া প্রয়োগ করতে হবে। অনেক চিকিৎসা বিজ্ঞানী আবার ব্রায়োনিয়া এবং নাক্স ভমিকা ঔষধ দুটিকে অদল-বদল করে ব্যবহার করে দারুণ ফল পেতেন।

Bryonia alba – যাদের মাসিকের সময়ে মাসিক না হয়ে বরং নাক থেকে রক্তক্ষরণ হয় এবং প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হয়, তাদের বেলায় ব্রায়োনিয়া প্রযোজ্য।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Aconitum napellus – একোনাইট ন্যাপ

যে-কোন ধরনের কাশি হউক না কেন, যদি প্রথম থেকেই মারাত্মক আকারে দেখা দেয় অথবা কাশি শুরু হওয়ার দু’চার ঘণ্টার মধ্যে সেটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে, তবে একোনাইট হলো তার এক নাম্বার ঔষধ। একোনাইটের রোগকে তুলনা করা যায় ঝড়-তুফান্তটর্নেডোর সাথে- অতীব প্রচণ্ড কিন্তু ক্ষণস্থায়ী। কাশিও যদি তেমনি হঠাৎ করে মারাত্মক আকারে শুরু হয়, তবে একোনাইট সেবন করুন। কাশির উৎপাত এত বেশী হয় যে তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে কাতর হয়ে পড়ে।

Aconitum napellus –  হাঁপানীর আক্রমণের যখন সেটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে, তখন খাওয়াতে পারলে একোনাইট কাজ করবে যাদুর মতো। হাঁপানীর আক্রমণ এত মারাত্মক হয় যে তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে শংকিত হয়ে পড়ে।

Aconitum napellus –  এংজাইটি বা টেনশান যদি হঠাৎ দেখা দেয় এবং সাথে যদি ‘এখনই মরে যাব’ এমন ভয় হতে থাকে, তবে একোনাইট খেতে হবে।

Aconitum napellus –  ভয় পেয়ে মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে একোনাইট খেতে হবে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Natrum muriaticum – নেট্রাম মিউর

চুলের লাইন বরাবর খুসকি বা এই রকম ছাল ওঠা জাতীয় যে-কোন চর্মরোগে নেট্রাম মিউর প্রযোজ্য। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো  মুখ সাদাটে এবং ফোলা ফোলা, বেশী বেশী লবণ বা লবণযুক্ত খাবার খায়, কথা শিখতে বা পড়াশোনা শিখতে দেরী হয়, ঋতুস্রাবে রক্তক্ষরণ হয় খুবই অল্প, পা মোটা কিন্তু ঘাড় চিকন ইত্যাদি।

Natrum muriaticum – পক্ষান্তরে মানসিক আঘাত পাওয়ার পরে অনেক দিন কেটে গেলে তাতে নেট্রাম মিউর ঔষধটি প্রযোজ্য। সাধারণত খুবই সেনসেটিভ, সান্ত্বনা দিলে উল্টো আরো ক্ষেপে যায়, লবণ জাতীয় খাবার বেশী খায় ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে তাতে নেট্রাম মিউর ভালো কাজ করে।

Natrum muriaticum – অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষ্টকাঠিন্যের একটি মুল কারণ হয়ে থাকে নাড়িভূড়ির দেওয়ালের শুষ্কতা (dryness of the bowel) আর এই কারণে নেট্রাম মিউর ঔষধটি কোষ্টকাঠিন্যের একটি অমুল্য ঔষধ। কেননা খাবার লবণ থেকে তৈরী করা এই ঔষধটি শরীরের সকল স্থানে পানির ভারসাম্য আনতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া যাদের বেশী বেশী লবণ খাওয়ার অভ্যাস আছে এবং যাদের মুখে ব্রণ হয় প্রচুর, তাদের কোষ্টকাঠিন্যসহ যে-কোন রোগে নেট্রাম মিউর যাদুর মতো কাজ করবে। এমনিভাবে Magnesia muriatica এবং Ammonium muriaticum ঔষধ দুইটিও কোষ্টকাঠিন্যের শ্রেষ্ট ঔষধ।

Natrum muriaticum – নাক দিয়ে পানি ঝরাসহ হঠাৎ সর্দির আক্রমণ হলে নেট্রাম মিউর দুয়েক ঘন্টা পরপর খেতে পারেন। এটিও সর্দির একটি ভালো ঔষধ।

Natrum muriaticum –   যারা অল্পতেই মনে আঘাত পায়, যাদের মাথায় অপ্রীতিকর চিন্তা সারাক্ষণ ঘুরপাক খায়, দুঃশ্চিন্তা করলে যাদের মাথা ব্যথা শুরু হয়, যাদের সান্ত্বনা দিলে উল্টো আরো খেপে যায়, তাদের এংজাইটিতে নেট্রাম মিউর ভালো কাজ করে।

Natrum muriaticum –   ক্লার্কের মতে, নেট্রাম মিউর মুখের ঘায়ের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। এদের জিহ্বা থাকে মানচিত্রের মতো খাঁজ কাটা এবং স্থানে স্থানে লাল দাগ বিশিষ্ট।

Natrum muriaticum – যাদের ঋতুস্রাবে রক্তক্ষরণ হয় খুবই অল্প এবং যাদের পিরিয়ড প্রতিবারই কিছুদিন পিছিয়ে যায়, তাদের মাসিক বন্ধ হলে নেট্রাম মিউর প্রযোজ্য। এদের মুখ হয় সাদাটে এবং ফোলা ফোলা এবং বেশী বেশী লবণ বা লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রতি তীব্র আকর্ষণ থাকে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Sepia – সিপিয়া

সিপিয়া খুসকির একটি ভালো ঔষধ বিশেষত যদি মাথার চামড়া ভেজাভেজা এবং ঘিয়ের মতো আঠালো হয়। সিপিয়ার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো তলপেটে বল বা চাকার মতো কিছু একটা আছে মনে হয়, রোগী তলপেটের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পায়খানার রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যাবে এই ভয়ে দুই পা দিয়ে চেপে ধরে রাখে, সর্বদা শীতে কাঁপতে থাকে, দুধ সহ্য হয় না, ঘনঘন গর্ভপাত হয়, স্বামী-সন্তান-চাকরি-বাকরির প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।

Sepia – মাসিক বন্ধের চিকিৎসায় সিপিয়ার লক্ষণ হলো পেটের মধ্যে চাকা বা বলের মতো কিছু একটা আছে বলে অনুভূত হয়। শারীরিক দুর্বলতা থাকে প্রচুর এবং সংসারের প্রতি কোন আকর্ষণ থাকে না।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Causticum – কষ্টিকাম

যারা অন্যের দুঃখ-কষ্ট দেখতে সহ্য করতে পারেন না, প্রতিবাদী স্বভাবের, অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেন না, ভুলো মন, দরজা লাগানো হয়েছে কিনা কিংবা চুলা নেভানো হয়েছে কিনা বারবার পরীক্ষা করেন, এই ধরনের লোকদের বিষন্নতায় কষ্টিকাম প্রযোজ্য।

Causticum – কষ্টিকামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো কাশি দিলে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়, সকাল বেলা গলা ভাঙ্গা, বুকে প্রচুর কফ কিন্তু সেগুলো উঠানো যায় না, যেটুকু কফ উঠে তাও আবার ফেলতে পারে না বরং খেয়ে ফেলে, পেটে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বালাপোড়া করে, কাশি ঠান্ডা পানি খেলে কমে যায়, কাশি দিলে প্রস্রাব বেরিয়ে যায় ইত্যাদি। ইহার মানসিক লক্ষণ হলো অন্যের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারে না।

Causticum – পোড়ার পরবর্তী যে-কোন জটিলতা নিরাময়ের জন্য কষ্টিকাম ব্যবহার করতে পারেন। অনেকে বলেন যে, “সেই পোড়ার ঘটনার পর থেকেই আমার এই সমস্যাটি দেখা দিয়েছে”- এসব সমস্যার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কষ্টিকাম প্রয়োগ করুন।

Causticum – হাঁপানী রোগী একমাত্র দাড়িয়ে থাকলে আরাম পায়, লক্ষণে কষ্টিকাম প্রযোজ্য।

Causticum – মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণে মৃগী রোগ হলে অথবা মেয়েদের প্রথম মাসিক শুরু হওয়ার বয়সে মৃগী রোগ হলে কষ্টিকাম প্রযোজ্য। তাছাড়া খোলা বাতাসে হাটার সময় পড়ে যায় আবার সাথে সাথেই ঠিক হয়ে যায়। অমাবশ্যার সময় যদি মৃগীর আক্রমণ হয় তবে কষ্টিকাম উপকারী। ঘুমের ভেতরে মৃগীর আক্রমণ হয় এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়।ইহার মানসিক লক্ষণ হলো অন্যের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারে না।

Causticum – যারা নিজের চাইতে অন্যের দুঃখ-কষ্টে বেশী কাতর হয়ে পড়েন, তাদের জন্য কষ্টিকাম ( ৩০,২০০) ।

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Cimicifuga – সিমিসিফিউগার

সিমিসিফিউগার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো গোমড়ামুখ, দুঃখবোধ, নিদ্রাহীনতা, ভয় পায় সে মনে হয় পাগল হয়ে যাবে, কেউ আঘাত করবে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয় করে, মনে হয় সবকিছুকে একটি কালো পর্দা ঢেকে দিয়েছে ইত্যাদি।

Cimicifuga – সিমিসিফিউগার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হলো মাথার ভেতরে ঢেউ খেলানোর অনুভুতি হওয়া।অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে আছে বিষন্নতা বা মনমরা ভাব, ঘাড়ের পেছনে ব্যথা, বিভিন্ন জয়েন্টে বাতের সমস্যা বেশী হওয়া ইত্যাদি।

Cimicifuga – (মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) এটি নার্ভাস ধরণের মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিশেষত যারা ঘন ঘন বাতের ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। মনে আনন্দ নাই এবং সবকিছুরই খারাপ দিকটা আগে চিন্তা করেন।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Kali phosphoricum – ক্যালি ফস

সাধারণত কঠোর পরিশ্রমের কারণে, অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রমের ফলে, দীর্ঘদিন শোক-দুঃখ-আবেগ-উত্তেজনায় ভোগার কারণে বিষন্নতার সৃষ্টি হলে তাতে ক্যালি ফস ঔষধটি সুফল দিবে। কোন কাজে মনোযোগ দিতে না পারা, মানসিক পরিশ্রমে মাথাব্যথা, প্রচুর ঘামানো, সহজে সর্দি লাগা, রক্তশূণ্যতা, নিদ্রাহীনতা, বদহজম প্রভৃতি সমস্যা একসাথে দেখা দিলে তাতে ক্যালি ফস প্রযোজ্য।

Kali phosphoricum –  যারা দীর্ঘদিন যাবত এংজাইটিতে ভোগছেন এবং ইহার ফলে তাদের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়েছে আর মন্তমেজাজও খিটখিটে হয়ে গেছে, তাদের জন্য ক্যালি ফস ঔষধটি আল্লাহ্‌র একটি রহমত স্বরূপ।

Kali phosphoricum – একেবারে নার্ভাস ধরণের মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যাদের শরীরের অবস্থা বেশ খারাপ, ভীষণ বদমেজাজী, অতিরিক্ত শারীরিক-মানসিক পরিশ্রমে যাদের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়েছে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !