Category Archives: মৃগীরোগ

মৃগী রোগ বা খিঁচুনি (তড়কা, আক্ষেপ, সন্ন্যাস রোগ) হলো মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক গোলযোগ (হতে পারে লোড শেডিং কিংবা ভল্টেজের উঠানামা) যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য তার চেতনা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে খিচুঁনি / আক্ষেপ (convulsion) দেখা দেয়। যাতে সারা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায়, গোঙানি বা অনিচ্ছাকৃত চীৎকার করতে থাকে, হাত-পা-আঙ্গুল ক্রমাগত বাঁকা এবং সোজা হতে থাকে, দাঁত দিয়ে জিহ্বা কামড়ে ধরে, মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে, অনিচ্ছাকৃতভাবে মল-মুত্র বের হয়ে যাওয়া এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় (grand mal seizure)।

মৃগীর আক্রমণ শেষ হওয়ার পরে সাধারণত রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং গভীর ঘুমে ডুবে যায়। রোগের আক্রমণের সময় সে যা যা করেছে, তার কিছুই মনে করতে পারে না। মৃগীরোগের আরো যে-সব লক্ষণ প্রকাশ পায় তা হলো চোখে উল্টাপাল্টা দেখা, কানে উল্টাপাল্টা কিছু শোনা, অল্প সময়ের জন্য আচার-আচরণ পরিবর্তন হওয়া, নির্দিষ্ট একটি অঙ্গে ঝাকুনি দেওয়া, হঠাৎ করে ঘামতে থাকা, এক মুহূর্তের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, বমিবমি লাগা, অকারণে ভয় ভয় লাগা, উপরের দিকে আড়চোখে তাকানো, মুখের পেশীর সঙ্কোচন্তপ্রসারণ ইত্যাদি ইত্যাদি (petit mal seizure)। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত পাওয়া, মসি-ষ্কে ইনফেকশান, ব্রেন টিউমার, রক্তনালীর রোগ, মাদকাসক্তি, শরীরে খনিজ লবণের ভারসাম্যহীনতা, সীসার বিষক্রিয়া প্রভৃতি কারণে মৃগী রোগ হতে দেখা যায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃগী রোগের পেছনে কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। মৃগীর আক্রমণ দুয়েকদিন পরপর হতে পারে আবার অনেক বছর পরপরও হতে পারে; তবে বিষয়টি চলতে থাকে সারা জীবন ধরে। এমনকি ঘুমের মধ্যেও ইহার আক্রমণ হতে পারে। সাধারণত শারীরিক উত্তেজনা, উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি, হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শোনা, আবেগ-উত্তেজনা ইত্যাদির ফলে মৃগীর আক্রমণ শুরু হয়।

কোন কোন রোগী কিছু সতর্কীকরণ লক্ষণের (aura) মাধ্যমে বুঝতে পারে যে, এখনই মৃগীর আক্রমণ শুরু হতে যাচ্ছে ; আবার অনেক রোগীই সতর্কীকরণ লক্ষণ না পাওয়ায় আগেভাগে বুঝতে পারে না। সতর্কীকরণ লক্ষণের মধ্যে আছে ভয় লাগা, পেটের মধ্যে অস্বস্তি লাগা, চোখে সর্ষে ফুল দেখা, মাথাঘুরানি, অদ্ভূত গন্ধ পাওয়া ইত্যাদি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃগীর আক্রমণ হয় অল্প সময়ের জন্য। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খিচুঁনি থাকতেও পারে আবার না ও থাকতে পারে, কিছু সময়ের জন্য ঝিমানি আসে অথবা মাথা এলোমেলো-হতবুদ্ধি হয়ে যায়। বিভিন্ন ধরণের লক্ষণের উপর ভিত্তি করে মৃগী রোগকে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে হস্তক্ষেপ করা যাবে না; তবে রোগী যাতে আগুনে পুড়ে, পানিতে ডুবে অথবা ধারালো কোন অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি রোগীর শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে মুখের ফেনা পরিষ্কার করে, জিহ্বা নাড়াচাড়া করে, রোগীর মাথায় বালিশ দিয়ে, রোগীকে সুবিধামতো কাত-চিৎ করে ইত্যাদির মাধ্যমে শ্বাস নিতে সাহায্য করতে হবে।

এই রোগীদের আগুনের কাছে বা পানিবদ্ধ স্থানে একাকী অবস্থান করা বিপজ্জনক। সর্বদা সাথে একটি ডাক্তারী সার্টিফিকেট বা ‘মৃগী রোগী’ লেখা একটি লকেট গলায় ঝুলিয়ে রাখা উচিত। মৃগীর আক্রমণ যদি পাঁচ মিনিটের বেশী স্থায়ী হয় অথবা জ্ঞান ফিরার পূর্বেই আবার খিচুঁনি শুরু হয় কিংবা খিচুঁনি শেষ হওয়ার পরেও রোগী বেহুশ হয়ে পড়ে থাকে, তবে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করা, প্রচুর বিশ্রাম নেওয়া এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা মৃগীর উৎপাত কমাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। রোগের অন্তর্নিহিত কারণটি সনাক্ত করতে পারলে এবং সে অনুযায়ী সঠিক হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করা গেলে, মৃগী রোগ সম্পূর্ণ স্থায়ীভাবে নিরাময় করা সম্ভব। অন্যথায় ঔষধ প্রয়োগে কেবল রোগের তীব্রতা কমিয়ে রাখা যাবে। (বিঃ দ্রঃ- মৃগী রোগ ছাড়াও অন্য যে-কোন কারণেই খিচুঁনি হোক না কেন, তাতে এই অধ্যায়ে বণিত ঔষধগুলোর কোন একটি লক্ষণ মিলিয়ে খাওয়াতে থাকুন।)একই ঔষধ দীর্ঘদিন না খেয়ে বরং লক্ষণ অনুযায়ী কয়েকটি ঔষধ সিলেক্ট করে একটির পর আরেকটি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খান।

Asterias rubens –

এটি মৃগীর একটি প্রাচীন ঔষধ। মুখ লাল হয়ে যায়, মাথা গরম হয়ে যায় এবং মনে হয় মাথার চারদিকের বাতাস গরম হয়ে গেছে। পায়খানা শক্ত থাকে এবং মাথার ভিতরে ইলেকট্রিক শকের মতো ব্যথা হয়।

Argentum nitricum – আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম

ভয় পেয়ে বা মাসিকের সময় মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম প্রযোজ্য। মৃগীর আক্রমণের কয়েক দিন অথবা কয়েক ঘণ্টা পূর্ব থেকেই চোখের তারা প্রসারিত হয়ে থাকে, আক্রমণের পরে রোগী খুবই অস্থির থাকে এবং তার হাত কাঁপতে থাকে, কঙ্কালসার, শিশুকে মনে হয় বৃদ্ধের মতো, জোরে হাঁটার ইচ্ছা, মিষ্টি জাতীয় খাবারের প্রতি ভীষণ লোভ ইত্যাদি।

Argentum nitricum – বড় কোন ঘটনার আগে টেনশান হতে থাকলে আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম খেতে হবে। যেমন পরীক্ষা, ইন্টারভিউ, অনেক মানুষের সামনে বক্তৃতা দেওয়া, সামাজিক অনুষ্টানে যোগ দেওয়া, দাঁত উঠানোর জন্য ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। টেনশানের কারণে ডায়েরিয়া হওয়া এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশী খাওয়ার অভ্যাস্ত এই ঔষধের দুটি বড় লক্ষণ।

Ammonium Bromatum

এমন ব্রোমের সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হলো অজ্ঞান হওয়ার অথবা দম বন্ধ হওয়ার অনুভুতি যা পেটের ওপরের অংশে শুরু হয়ে বুকের দুই পাশে এবং গলার দিকে যেতে থাকে। নখের নীচে অস্বস্তি বোধ হয় যা কামড় দিলে কমে যায়।

Absinthium – এবসিনথিয়াম

এবসিনথিয়ামের প্রধান লক্ষণ হলো কম্পন; জিহ্বা, হৃৎপিন্ড প্রভৃতি কাঁপতে থাকে। মুখ বিকৃত করা, জিহ্বা কামড়ে ধরা, মুখে রক্তযুক্ত ফেনা, পুরোপুরি অজ্ঞান হওয়া, হঠাৎ করে তীব্র মাথা ঘুরানি, আক্রমণের পরে বুদ্ধিহীনতা এবং স্মরণশক্তি নষ্ট হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ এতে আছে।

Agaricus muscarius – এগারিকাস

এগারিকাসের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো মৃগীর আক্রমণের পরে মাথায় নানা রকমের চিন্তার জোয়ার এসে যায়,বকবকানি, দীর্ঘস্থায়ী মাথা ঘুরানি, খোলা বাতাসে হাটার সময় মৃগীর আক্রমণ হওয়া।

Camphora – ক্যাম্ফরা

ক্যাম্ফরা মৃগী পুরোপুরি নির্মূল করতে না পারলেও মৃগীর আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে পারে এবং আক্রমণের সময়কাল কমিয়ে আনতে পারে। এতে সারা শরীরের সাথে সাথে এমনকি জিহ্বা, চোখ এবং মুখের পেশীতেও খিচুঁনি হওয়ার লক্ষণ আছে। আক্রমণের পরে বেহুঁশের মতো ঘুমাতে থাকে এবং হাত-পা-মাথা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়।

Calcarea carbonica – ক্যালকেরিয়া কার্ব

ক্যালকেরিয়া কার্বের রোগীদের পা দুটি থাকে ঠান্ডা, মাথা অর্থাৎ কপাল ঘামে বেশী, হাত দুটি থাকে নরম তুলতুলে, এদের ঘাম-পায়খানা-প্রস্রাব সবকিছু থেকে টক গন্ধ আসে এবং এদের স্বাস্থ্য থাকে থলথলে মোটা। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে উপরের দিকে ছড়াতে থাকে অথবা তলপেটের দিকে ছড়াতে থাকে এবং ইহার পরই খিচুঁনি শুরু হয়। কখনও কখনও মনে হয় হাতের ওপর একটি ইদুর দৌড়াচ্ছে।

Calcarea carbonica – যারা দীর্ঘদিন রোগে ভোগে বা অতিরিক্ত পরিশ্রম করে ভগ্নস্বাস্থ্য হয়ে পড়েছেন, যারা উচুঁ জায়গাকে ভয় পান, যারা সর্বদা ভয়ে থাকেন যে সামনে বিরাট বিপদ আসন্ন, তাদের এঙজাইটিতে ক্যালকেরিয়া কার্ব প্রযোজ্য।

Calcarea carbonica – ক্যালকেরিয়া কার্ব নামক ঔষধটি হলো হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে ভালো ভিটামিন। এটি ক্ষুধাহীনতা, অজীর্ণ, বদহজম, পেটের আলসার, ঘনঘন অসুখ-বিসুখ হওয়া, শারীরিক দুর্বলতা, স্মায়বিক দুর্বলতা, ব্রেনের দুর্বলতা, অপুষ্টি ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে পারে।

Calcarea carbonica – (মাসিক বন্ধ থাকা, ঋতুস্রাব না হওয়া) মোটা, স্থূলকায়, থলথলে শরীরের মেয়েদের ক্ষেত্রে ক্যালকেরিয়া কার্ব ভালো কাজ করে বিশেষত যদি সাথে কিছুটা রক্তশূণ্যতাও থাকে। এদের মাথা সহজেই ঘেমে যায়, অল্পতেই বুক ধড়ফড় করে এবং মাথা ব্যথা অথবা কাশি সারা বছর লেগেই থাকে।

Calcarea carbonica – অনেক শিশু ঘুমের ভেতরে গোঙাতে থাকে এবং চীৎকার করতে থাকে, এদেরকে Calcarea Carbonica নামক ঔষধটি (শক্তি ২০০) এক মাত্রা খাওয়ান। শিশু একটু বড় হলে এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকলে ১০০০ (1M) অথবা ১০,০০০ (10M) শক্তিতে একমাত্রা খাওয়াতে পারেন।

Calcarea Carbonica : যাদের কৃমির সমস্যা খুব বেশী, কিছুদিন পরপরই ঔষধ খেতে হয় ; তারা (কয়েক সপ্তাহ) ক্যালকেরিয়া কার্ব খেলে ঘন ঘন কৃমি হওয়ার অভ্যাস চলে যাবে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Indigo – ইন্ডিগো

সাধারণত কৃমির উৎপাতের কারণে মৃগীর খিচুঁনি হলে ইন্ডিগো ভালো কাজ করে। ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হলে ইন্ডিগো ব্যবহার করে তার মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা যায়। ইন্ডিগোর রোগীদের মৃগীর আক্রমণের পূর্বে মেজাজ থাকে ভীষণ খারাপ আবার মনের দুঃখে তারা রাতের পর রাত একা একা কাঁদে কিন্তুআক্রমণে পরে তারা ভীতু হয়ে যায়। এদের আক্রমণ শুরু হয় ঠান্ডা থেকে অথবা ভয় পেলে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে মাথার দিকে গরম ভাপ উঠতে থাকে এবং মাথার ভেতরে ঢেউ খেলানোর মতো অনুভব হয়। কখনও কখনও চোখে ঝাপসা দেখে। যে-কোন কৃমির ঔষধই গর্ভবতীদের খাওয়ানো নিষিদ্ধ, তেমনি এটিও।

Indigo : ইন্ডিগো কৃমির উৎপাতের ক্ষেত্রে একটি ভালো ঔষধ। কৃমির কারণে মৃগীর আক্রমণ, খিচুঁনি অথবা জ্বর হলে ইন্ডিগো ব্যবহার করতে পারেন।

Kali bromatum – ক্যালি ব্রোম

পুরুষদের বেলায় অতিরিক্ত যৌনকর্ম বা হস্তমৈথুন থেকে মৃগী রোগ হলে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অথবা মাসিকের কিছু পূর্বে মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে ক্যালি ব্রোম প্রযোজ্য। এদের শরীরের ব্রণ থাকে প্রচুর, স্মরণশক্তি দুর্বল, হাত দুটি সর্বদা কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

Kali bromatum – ক্যালি ব্রোম মুখের, বুকের, কাধের এবং ঘাড়ের ব্রণ নিরাময়ে একটি সর্বোৎকৃষ্ট ঔষধ (৩০ শক্তি)। ব্রিটিশ হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডাঃ ক্লার্কের মতে, খুব কম ব্রণই আছে যা ক্যালি ব্রোমে নিরাময় হয় না।

Cicuta virosa – সিকিউটা

সিকিউটা মৃগীর ভাল ঔষধগুলোর মধ্যে একটি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো খিচুনির সময় মাথা পেছন দিকে বাঁকা হওয়া,অদ্ভূত ধরণের জিনিস খাওয়া ইচ্ছা হওয়া (যেমনকয়লা), এক দৃষ্টিতে কোন দিকে তাকিয়ে থাকা, মাথা এক দিকে কাত হওয়া বা মোচড় দেওয়া, সারাদিন বাম হাতে ঝাকুনি দেওয়া ইত্যাদি।

Artemisia vulgaris – আর্টিমিসিয়া ভালগেরিস

ভয় পেয়ে, মনের আবেগ-উত্তেজনা থেকে, মাথায় আঘাত পাওয়া, মাসিকের গন্ডগোল, শিশুদের দাঁত ওঠার সময় প্রভৃতি কারণে মৃগীর আক্রমণ হলে আর্টিমিসিয়া ভালগেরিস প্রযোজ্য। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হওয়া, এমনকি দিনে কয়েকবার, আক্রমণ শেষে গভীর ঘুম পাওয়া এবং দুর্গন্ধযুক্ত (রসুনের মতো) প্রচুর ঘাম হওয়া। হালকা মাত্রার মৃগীতেও এটি ফলদায়ক (petit mal seizure)। এটি শিশু এবং আসন্ন যৌবনা তরুণীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাযর্কর।

Hydrocyanic acid – হাইড্রোসায়ানিক এসিড

হিউজের মতে, হাইড্রোসায়ানিক এসিড মৃগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্প্যাসিফিক ঔষধ। নতুন রোগের ক্ষেত্রে এটি সর্বোত্তম ঔষধ। এতে অজ্ঞান হওয়া, মুষ্টিবদ্ধ হাত, কিছু গিলার সময় ভেতরে গরগর শব্দ হওয়া, শরীর পাথরের মতো ঠান্ডা হওয়া, দাঁত কপাটি লাগা, মুখ থেকে ফেনা নির্গত হওয়া, ঢোক গিলতে না পারা প্রভৃতি সব লক্ষণই আছে। মৃগীর আক্রমণের পরে ঘুমঘুম ভাব এবং ভীষণ দুর্বলতা-অবসন্নতা-ক্লান্তি আছে।

Oenanthe crocata – ওইন্যান্থক্রোকেটা

ওইন্যান্থক্রোকেটা মৃগীর শ্রেষ্ট ঔষধগুলির মধ্যে একটি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো হঠাৎ সম্পূর্ণ অচেতন হওয়া, মুখ দিয়ে ফেনা ওঠা, মুখমণ্ডল লাল এবং ফোলা ফোলা, দাঁত কপাটি লাগা এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। মৃগীর আক্রমণের সময় যাদের বমি হয় অথবা কানের পর্দায় সমস্যা হয় অথবা পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।

Bufo rana – বিউফোর

ব্যাঙের বিষ থেকে তৈরী করা এই ঔষধটি মৃগী রোগের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। মৃগী রোগের খিচুঁনি যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে, রোগীর তখনকার অঙ্গভঙ্গি এবং লাফালাফির সাথে ব্যাঙের আকৃতি এবং লম্ফজম্ফের একটা অদ্ভূত মিল আছে। যে-সব যুবক-যুবতী অতিরিক্ত যৌনকর্ম অথবা হস্তমৈথুনের কারণে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য বিউফো এক নাম্বার ঔষধ। বিউফোর লক্ষণ হলো মৃগীর আক্রমণের শুরুতে চীৎকার দেওয়া, মুখমন্ডল লাল হওয়া এবং মৃগীর আক্রমণ চলে যাওয়ার পরে ঘুমিয়ে যাওয়া। মাঝরাতে, মাসিকের সময়, অমাবশ্যা এবং যৌন উত্তেজনার সময় মৃগীর আক্রমণ বেশী হয়। রাতে ঘুমের মধ্যে মৃগীর আক্রমণ বেশী হয় এবং রোগীর ঘুম ভাঙতেও পারে আবার নাও ভাঙতে পারে। তবে ঘুম থেকে ওঠার পরে তার প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হয়। রোগী ঠান্ডা বাতাস অপছন্দ করে কিন্তুগরম রুমে আবার রোগের উৎপাত বৃদ্ধি পায়।

Cuprum Metallicum – কিউপ্রাম মেট

ছুরি মারার মতো মারাত্মক পেট ব্যথা, কিছুক্ষণ পরপর বৃদ্ধি পায়। ঠান্ডা পানি খেলে ব্যথা ভীষণ বেড়ে যায়।

Cuprum Metallicum – কিউপ্রাম মেট মৃগী রোগের সবচেয়ে শক্তিশালী ঔষধ। ইহার প্রধান লক্ষণগুলো হলো চক্ষুগোলক উপরের দিকে উল্টে যায়, হাতের বৃদ্ধাগুলির আক্ষেপ, মাথা এবং পায়ের পাতাসহ সমস্ত শরীর পেছনের দিকে বেকে যায়, খিুচনি প্রথম শুরু হয় হাতের আঙুল অথবা পায়ের আঙুলে এবং পরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, দুটি আক্রমণের মধ্যবর্তী সময়ে রোগী খুব অস্থির থাকে। ভয় পেলে এবং পানিতে ভিজলে মৃগীর আক্রমণ হয়। ক্রোধ, বদমেজাজ, অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা ইত্যাদি এই ঔষধের মানসিক লক্ষণ।

 

Belladonna – বেলেডোনা

যে-কোনো তীব্র পেট ব্যথা যতক্ষণই থাকুক না কেন, যদি হঠাৎ আসে এবং হঠাৎ চলে যায়, তবে বেলেডোনা ঔষধটি খেতে থাকুন। বেলেডোনা’র ব্যথা সাধারণত শরীরের উপরের দিক থেকে নীচের দিকে যায়।

Belladonna – বেলেডোনা মৃগীর প্রথম দিকের আক্রমণে বেশী প্রযোজ্য। তাপ, লাল রঙ এবং জ্বালাপোড়া হলো বেলেডোনার তিনটি প্রধান লক্ষণ। যদি সারা শরীর গরম হয়ে যায়, মুখ লাল হয়ে যায় এবং শরীরে জ্বালাপোড়া হয়, তবে বেলেডোনা দিতে হবে। আলো, নড়াচড়া, গোলমাল এবং ঝাকুনিতে রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।

Belladonna – বেলেডোনা ঔষধটি ফোড়ার প্রথম দিকে ব্যবহার করতে হবে যখন ফোড়া মাত্র উঠেছে, আক্রান্ত স্থানটি গরম হয়ে আছে এবং লাল হয়ে ব্যথা করছে। বেলেডোনা ফোড়াতে পুঁজ হওয়া বন্ধ করে তাকে পাকতে দিবে না এবং তাকে বিসমিল্লাতেই খতম করে দিবে।

Belladonna – মজার মজার বিষয় কল্পনায় দেখে বা শোনে, ভীষণ ক্রুদ্ধ, হিংস্র চাহনি, রক্তচক্ষু, আঘাত করা বা কামড়ানোর প্রবনতা, কল্পনায় দৈত্য-দানব, ভূ-প্রেত, পোকা-মাকড় ইত্যাদি দেখা, আলোকভীতি, ভীতিকর স্বপ্নের জন্য ঘুমাতে না পারা, মসি-ষ্কের রক্তসঞ্চয় ইত্যাদি লক্ষণযুক্ত পাগলামীতে বেলেডোনা ঔষধটি অব্যর্থ। ৩, ৬ শক্তি দুই ঘণ্টা পরপর খাওয়াতে থাকুন।

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Plumbum metallicum – প্লামবাম

ইহার পায়খানাও ছাগলের লাদির মতো ছোট ছোট, শক্ত শক্ত কিন্তু এতে অল্প হলেও পায়খানার বেগ থাকে। পায়খানা বের করতে প্রসব ব্যথার মতো মারাত্মক ব্যথা লাগে। ইহার প্রধান লক্ষণ হলো পেট ব্যথা যাতে মনে হয় কেউ যেন পেটের নাড়িভূড়িকে সুতা দিয়ে বেধে পিঠের দিকে টানতেছে।

Plumbum metallicum – পেট ব্যথার সাথে যদি কোষ্টকাঠিন্য/শক্ত পায়খানা থাকে, তবে প্রথমেই প্লামবাম ঔষধটি খাওয়ার কথা চিন্তা করতে হবে। প্লামবামের পেট ব্যথার লক্ষণ হলো, মনে হবে পেটের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে কেউ যেন সুতো দিয়ে বেঁধে পিঠের দিকে টানতেছে।

Plumbum metallicum –  প্লামবামের মৃগীর আক্রমণের সূচনা হয় হাই তোলা অথবা মাথাঘুরানির মাধ্যমে এবং আক্রমণের শেষে মনের অবস্থা হয় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অর্থাৎ রোগীর আক্কল-বুদ্ধি ফিরে পেতে অনেক সময় লাগে। আক্রমণের পরে মাথা ডান দিকে কাত হয়ে থাকে। মাথার রক্তনালীর রোগ এবং ব্রেন টিউমারের কারণে মৃগী হলে এটি প্রযোজ্য। সাথে যদি পুরনো কোষ্টকাঠিন্য এবং পেট ব্যথার সমস্যা থাকে, তবে অবশ্যই প্লামবাম প্রয়োগ করতে হবে।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Nux vomica – নাক্স ভমিকা

হোমিওপ্যাথিতে কোষ্টকাঠিন্যের জন্য সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত ঔষধ হলো নাক্স ভমিকা। দিনরাতের বেশীর ভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটায়, ভয়ঙ্কর বদমেজাজী, শীতকাতর, কথার বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে এটি ভালো কাজ করে। বিশেষত যারা দীর্ঘদিন পায়খানা নরম করার এলোপ্যাথিক ঔষধ খেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশী প্রযোজ্য। (* অনেক হোমিও বিজ্ঞানী কোষ্টকাঠিন্য এবং পাইলসের রোগীদেরকে সকালে সালফার এবং সন্ধ্যায় নাক্স ভমিকা- এভাবে খেতে দিতেন। কেননা এই দুটি ঔষধ একে অন্যকে সাহায্য করে।)

Nux vomica – নাক্স ভমিকা পেট ব্যথার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। খাওয়া-দাওয়ার কোন গন্ডগোলের কারণে পেট ব্যথা হলে এটি প্রয়োগ করতে হয়। গলব্লাডার বা কিডনী রোগ যে-কারণেই পেট ব্যথা হোক না কেন। শীতকাতর এবং বদমেজাজী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।

Nux vomica – যারা (মৃগীরোগী) অধিকাংশ সময়ে বদহজমে ভোগে, বদমেজাজী এবং অল্প শীতেই কাতর হয়ে পড়ে, এটি তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং মুখের ওপর পোকা হাটতেছে এমন মনে হয়।

Nux vomica – নাক্স ভমিকা ঔষধটি ক্ষুধা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ঔষধ। যারা পরিশ্রমের কাজ কম করে কিন্তু টেনশন বেশী করে, দিনের বেশীর ভাগ সময় চেয়ারে বসে থাকে, সারা বছরই পেটের গন্ডগোল লেগেই থাকে, শীত সহ্য করতে পারে না…..এই ধরণের লোকদের ক্ষেত্রে নাক্স ভমিকা ভালো কাজ করে।

Nux vomica – মদ-ফেনসিডিল দীর্ঘদিন সেবনে শরীরের যে ক্ষতি হয়, নাক্স ভমিকা তাকে পুষিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি এটি মদ-ফেনসিডিলের নেশা ছাড়তে ব্যবহার করতে পারেন। মাত্রা হবে নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬ ইত্যাদি) ৫ থেকে ১০ ফোটা করে রোজ তিনবার।

Nux vomica – ভয়ানক বদমেজাজের জন্য নাক্স ভমিকা, ক্যামোমিলা কিংবা ক্যালি আয়োড ( ৩০,২০০) খান।

সরাসরি online থেকে Nux vomica  নাক্স ভমিকা ঔষধ ক্রয় করুন !

Sulphur – সালফার

খুসকির একটি সেরা ঔষধ হলো সালফার যদি তাতে অত্যধিক চুলকানী এবং জ্বালাপোড়া থাকে। এই কারণে রোগীর মধ্যে অন্য কোন ঔষধের লক্ষণ না থাকলে অবশ্যই তার চিকিৎসা প্রথমে সালফার দিয়ে শুরু করা উচিত। সালফারের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো সকাল ১১টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া, গোসল করা অপছন্দ করে, গরম লাগে বেশী, শরীরে চুলকানী বেশী, হাতের তালু-পায়ের তালু-মাথার তালুতে জ্বালাপোড়া, মাথা গরম কিন্তু পা ঠান্ডা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে কোন খেয়াল নাই, রোগ বিছানার গরমে বৃদ্ধি পায়, ছেড়া-নোংরা তেনা দেখেও আনন্দিত হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

Sulphur – কোষ্টকাঠিন্যের সবচেয়ে সেরা ঔষধ হলো সালফার। এই কারণে রোগীর মধ্যে অন্য কোন ঔষধের লক্ষণ না থাকলে অবশ্যই তার চিকিৎসা প্রথমে সালফার দিয়ে শুরু করা উচিত। এটি সাধারণত কবি-সাহিত্যিক-লেখক-বুদ্ধিজীবি-গবেষক-বিজ্ঞানী ইত্যাদি পেশার লোকদের অর্থাৎ সৃজনশীল ব্যক্তিদের বেলায় ভালো কাজ করে। সালফারের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো গোসল করা অপছন্দ করে, গরম লাগে বেশী, শরীরে চুলকানী বেশী, হাতের তালু-পায়ের তালু-মাথার তালুতে জ্বালাপোড়া, মাথা গরম কিন্তু পা ঠান্ডা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে কোন খেয়াল নাই, ছেড়া-নোংরা তেনা দেখেও আনন্দিত হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

Sulphur – চুলকানী-চর্মরোগ বেশী হয়, সকাল ১১টার দিকে ভীষণ ক্ষুধা পায়, শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বালাপোড়া করে, নোংরা স্বভাবের, গোসল করতে চায় না, ভাবুক বা দার্শনিক স্বভাবের, মাথা গরম কিন্তু পা ঠান্ডা থাকে, একই রোগ বার বার দেখা দেয় ইত্যাদি লক্ষণ যাদের মধ্যে পাওয়া যাবে, তাদের চোখের ছানি সালফার প্রয়োগে সেরে যাবে।

Sulphur – কোন চর্মরোগ (যা থেকে পূঁজ বের হতো) কড়া ঔষধ ব্যবহার করে চাপা দেওয়ার ফলে মৃগী রোগ হলে সালফার প্রযোজ্য। সালফার সেই চর্মরোগ ফেরত আনবে এবং ভেতর থেকে সারিয়ে তুলবে এবং সাথে সাথে মৃগীকেও বিদেয় করবে। কাজেই মৃগী দেখা দেওয়ার পূর্বে যাদের নানা রকম চর্মরোগ হওয়ার ইতিহাস আছে, তাদের প্রথমেই কিছুদিন সালফার খেয়ে নেওয়া উচিত। তাছাড়া সালফারের প্রধান প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে সকাল ১১টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া, শরীর গরম লাগা, রোগ রাতে বৃদ্ধি পাওয়া,রোগ গরমে বৃদ্ধি পাওয়া, মাথা গরম কিন্তুপা ঠান্ডা, মাথার তালু-পায়ের তালুসহ শরীরে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Causticum – কষ্টিকাম

যারা অন্যের দুঃখ-কষ্ট দেখতে সহ্য করতে পারেন না, প্রতিবাদী স্বভাবের, অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেন না, ভুলো মন, দরজা লাগানো হয়েছে কিনা কিংবা চুলা নেভানো হয়েছে কিনা বারবার পরীক্ষা করেন, এই ধরনের লোকদের বিষন্নতায় কষ্টিকাম প্রযোজ্য।

Causticum – কষ্টিকামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো কাশি দিলে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়, সকাল বেলা গলা ভাঙ্গা, বুকে প্রচুর কফ কিন্তু সেগুলো উঠানো যায় না, যেটুকু কফ উঠে তাও আবার ফেলতে পারে না বরং খেয়ে ফেলে, পেটে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বালাপোড়া করে, কাশি ঠান্ডা পানি খেলে কমে যায়, কাশি দিলে প্রস্রাব বেরিয়ে যায় ইত্যাদি। ইহার মানসিক লক্ষণ হলো অন্যের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারে না।

Causticum – পোড়ার পরবর্তী যে-কোন জটিলতা নিরাময়ের জন্য কষ্টিকাম ব্যবহার করতে পারেন। অনেকে বলেন যে, “সেই পোড়ার ঘটনার পর থেকেই আমার এই সমস্যাটি দেখা দিয়েছে”- এসব সমস্যার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কষ্টিকাম প্রয়োগ করুন।

Causticum – হাঁপানী রোগী একমাত্র দাড়িয়ে থাকলে আরাম পায়, লক্ষণে কষ্টিকাম প্রযোজ্য।

Causticum – মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণে মৃগী রোগ হলে অথবা মেয়েদের প্রথম মাসিক শুরু হওয়ার বয়সে মৃগী রোগ হলে কষ্টিকাম প্রযোজ্য। তাছাড়া খোলা বাতাসে হাটার সময় পড়ে যায় আবার সাথে সাথেই ঠিক হয়ে যায়। অমাবশ্যার সময় যদি মৃগীর আক্রমণ হয় তবে কষ্টিকাম উপকারী। ঘুমের ভেতরে মৃগীর আক্রমণ হয় এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়।ইহার মানসিক লক্ষণ হলো অন্যের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারে না।

Causticum – যারা নিজের চাইতে অন্যের দুঃখ-কষ্টে বেশী কাতর হয়ে পড়েন, তাদের জন্য কষ্টিকাম ( ৩০,২০০) ।

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !