Category Archives: মাদকাসক্তি

Addiction (মাদকাসক্তি, মদ-গাঁজা-ফেনসিডিল-হিরোইন-প্যাথিডিন ইত্যাদির নেশা) ঃ- মদ, গাঁজা, হিরোইন, ফেনসিডিল ইত্যাদি নেশাকর ড্রাগ যারা দীর্ঘদিন থেকে খেয়ে আসছেন, তাদের পক্ষে এগুলো হঠাৎ করে বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ এতে শরীরে কিছু মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এই জন্য এসব ড্রাগ সেবনের পরিমাণ প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে কমিয়ে দিতে হবে। এভাবে আস্তে আস্তে তাদের পরিমাণ কমাতে কমাতে একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে। পাশাপাশি ড্রাগের পরিমাণ কমানোর ফলে শরীরে যে-সব অসুবিধার সৃষ্টি হয়, সেগুলো দূর করার জন্য ঔষধ খেতে হবে। দীর্ঘদিন নেশা করার পর চেষ্টা-তদ্বির করে পরবর্তীতে সেটি বন্ধ করতে সক্ষম হলেও সেই নেশার প্রতি অনেক বছর পরও একটা মারাত্মক আকর্ষণ থেকেই যায়। ফলে সুযোগ পেলে সেই নেশা আবারও শুরু করে দিতে পারেন। এজন্য নতুন কোন ভালো বিষয়ে নেশা সৃষ্টি করা দরকার। যেমন স্বামী-স্ত্রী-সন্তানদের ভালোবাসা, জ্ঞান অর্জনের নেশা, ইবাদত-বন্দেগী, ভিডিও গেম, মানবসেবা, ছবি আঁকা, কমপিউটার, ফটোগ্রাফি, তাবলীগ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ইত্যাদি ইত্যাদির নেশা সৃষ্টির মাধ্যমে অতীতকে ভুলে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

cannabis indica – ক্যানাবিস ইন্ডিকা

cannabis indica– গাঁজা  / ভাং হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : আরটিকাসিয়াই

গাজা খাওয়ার পরে মনে যেমন স্ফূর্তির ভাব হয়, তেমন মানসিক অবস্থায় অথবা মানসিক হীনমন্যতার জন্য ক্যানাবিস ইন্ডিকা (৩,৬)

 

 

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Staphisagria – স্ট্যাফিসেগ্রিয়া

Staphisagria –  ডেলফিনিয়াম স্ট্যাফিসেগ্রিয়া / লাউস্ সীডস গাছের বীজ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : র‍্যানানকুলেসিয়াই

staphysagria – বিড়ি-সিগারেট অর্থাৎ ধূমপানের নেশা ছাড়াতে স্ট্যাফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। এটি ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ কমিয়ে দিয়ে সেটি বন্ধ করতে সাহায্য করে। এটি Q, ৩, ৬, ৩০ ইত্যাদি যে-কোন শক্তিতে খেতে পারেন ; তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম। রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার।

Staphisagria – ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অনেকটুকু কেটে গেলে, গভীরভাবে কেটে গেলে, মসৃনভাবে কেটে গেলে Staphisagria নামক ঔষধটি আল্লাহর নাম নিয়ে তিনবেলা করে কিছুদিন খেয়ে যান। যাদু আর কাকে বলে দেখতে পাবেন !

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Tabacum – ট্যাবাকাম

Tabacum – টোবাকো / তামাক গাছ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : সোলানাসিয়াই

ঔষধটিও ধূমপানের নেশা দূর করতে সাহায্য করে। এটি Q, ৩, ৬, ৩০ ইত্যাদি যে-কোন শক্তিতে খেতে পারেন ; তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম। রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার। ধূমপানের নেশা ছাড়াতে আরেকটি উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো চায়না (China officinalis).

সরাসরি online থেকে Tabacumট্যাবাকাম ঔষধ ক্রয় করুন !

Natrum Phosphoricum – নেট্রাম ফস্ফরিকাম

Natrum Phosphoricum – সোডিয়াম ফসফেট হতে প্রস্তুত। রাসায়নিক চিহ্ন : Na2HPO+ 12 H2O

নেট্রাম ফস ঔষধটি মরফিন, প্যাথেডিন এবং হিরোইনের নেশা বন্ধ করতে সাহায্য করে থাকে। নেট্রাম ফস নিম্মশক্তিতে (Q, ৩, ৬) দশ ফোটা করে রোজ তিনবার করে খেতে থাকুন এবং উল্লেখিত নেশাসমূহ প্রতি সপ্তাহে ধীরে ধীরে কমাতে থাকুন। তারপর এক সময় একেবারে বন্ধ করে দিন। দীর্ঘদিন সেবনের পর এসব নেশাদ্রব্য বন্ধ করলে শরীরের যে-সব সমস্যা হতে পারে, নেট্রাম ফস সেগুলোকে দূর করে দিবে।

Natrum Phosphoricum : নেট্রাম ফস শিশুদের কৃমির জন্য সেরা ঔষধগুলোর অন্যতম। পাশাপাশি এটি শিশুদের অজীর্ণ, বদহজম, এলার্জি, চুলকানি, পেটে ব্যথা, সর্দি, চোখ ওঠা ইত্যাদি সমস্যার জন্যও একটি সেরা ঔষধ। এটি শিশুদের জন্য একটি ভিটামিন হিসেবেও কাজ করে থাকে। (এই ঔষধটিও ছোট মেয়ে শিশুদের খাওয়ানো উচিত নয়।)

 

 

 

Sulphuricum Acidum – সালফিউরিক এসিড

Sulphuricum acidumসালফিউরিক এসিড হতে প্রস্তুত। রাসায়নিক চিহ্ন : H2SO4

সালফিউরিক এসিড ঔষধটি মদ-ফেনসিডিলের নেশা ছাড়তে একটি অসাধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ঔষধ। সাধারণত দু’চার দিন খাওয়ার পর থেকেই মাদকাসক্ত ব্যক্তি মদ-ফেনসিডিলের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে। নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬ ইত্যাদি) ৫ থেকে ১০ ফোটা করে রোজ তিনবার দুই থেকে কয়েক সপ্তাহ খেতে পারেন। এমনকি নেশায় আসক্ত ব্যক্তি যদি ঔষধ খেতে না চায়, তবে তার মদ বা ফেনসিডিলের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালেও কাজ করবে। তাছাড়া পানি, চা, দুধ ইত্যাদির সাথেও মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।

সরাসরি online থেকে ঔষধ ক্রয় করুন !

Asarum europaeum – এসারাম ইউরো

Asarum europaeum – এসরাম ভালগার / ইউরোপিয়ান স্নেক রুট গাছ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : এরিষ্টোলোচিয়াসিয়া

এসারাম ইউরো শরীরের ওপর মদ-ফেনসিডিলের প্রভাব কমিয়ে মদ্যপানের নেশা ছাড়তে সাহায্য করতে পারে। নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬ ইত্যাদি) ৫ থেকে ১৫ ফোটা করে রোজ তিনবার খেতে পারেন। হ্যাঁ, প্যাথেডিন, হিরোইনের নেশা ছাড়াতেও এটি একই মাত্রায় ব্যবহার করতে পারেন।

Avena Sativa – এভেনা স্যাটাইভা

Avena Sativa – ওট / এভেনা ওরিয়েনট্যালিস গাছ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : গ্রামিনিয়া

হিরোইন, প্যাথেডিনের নেশা দূর করতে এভেনা সেটাইভা একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। যারা হিরোইন বেশী পরিমাণে খান, তারা ধীরে ধীরে ইহার মাত্রা কমিয়ে আনুন এবং পাশাপাশি এভেনা স্যাটাইভা পনের ফোটা করে রোজ তিনবেলা করে খেতে থাকুন। পক্ষান্তরে যারা অল্প পরিমাণে হিরোইন-প্যাথেডিন নেন, তারা এগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দিন এবং তার বদলে এভেনা স্যাটাইভা পঞ্চাশ ফোটা করে রোজ তিনবেলা খান। এতে কোন শারীরিক সমস্যা হবে না। সাধারণত এসব মাদকদ্রব্য হঠাৎ করে বন্ধ করে দিলে শরীরে যে-সব মারাত্মক সমস্যা (withdrawal symptoms) দেখা দেয়, এভেনা সেটাইভা সেগুলোকে সফলতার সাথে সামাল দিতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে এবং আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন।

Nux vomica – নাক্স ভমিকা

হোমিওপ্যাথিতে কোষ্টকাঠিন্যের জন্য সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত ঔষধ হলো নাক্স ভমিকা। দিনরাতের বেশীর ভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটায়, ভয়ঙ্কর বদমেজাজী, শীতকাতর, কথার বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে এটি ভালো কাজ করে। বিশেষত যারা দীর্ঘদিন পায়খানা নরম করার এলোপ্যাথিক ঔষধ খেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশী প্রযোজ্য। (* অনেক হোমিও বিজ্ঞানী কোষ্টকাঠিন্য এবং পাইলসের রোগীদেরকে সকালে সালফার এবং সন্ধ্যায় নাক্স ভমিকা- এভাবে খেতে দিতেন। কেননা এই দুটি ঔষধ একে অন্যকে সাহায্য করে।)

Nux vomica – নাক্স ভমিকা পেট ব্যথার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। খাওয়া-দাওয়ার কোন গন্ডগোলের কারণে পেট ব্যথা হলে এটি প্রয়োগ করতে হয়। গলব্লাডার বা কিডনী রোগ যে-কারণেই পেট ব্যথা হোক না কেন। শীতকাতর এবং বদমেজাজী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।

Nux vomica – যারা (মৃগীরোগী) অধিকাংশ সময়ে বদহজমে ভোগে, বদমেজাজী এবং অল্প শীতেই কাতর হয়ে পড়ে, এটি তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং মুখের ওপর পোকা হাটতেছে এমন মনে হয়।

Nux vomica – নাক্স ভমিকা ঔষধটি ক্ষুধা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ঔষধ। যারা পরিশ্রমের কাজ কম করে কিন্তু টেনশন বেশী করে, দিনের বেশীর ভাগ সময় চেয়ারে বসে থাকে, সারা বছরই পেটের গন্ডগোল লেগেই থাকে, শীত সহ্য করতে পারে না…..এই ধরণের লোকদের ক্ষেত্রে নাক্স ভমিকা ভালো কাজ করে।

Nux vomica – মদ-ফেনসিডিল দীর্ঘদিন সেবনে শরীরের যে ক্ষতি হয়, নাক্স ভমিকা তাকে পুষিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি এটি মদ-ফেনসিডিলের নেশা ছাড়তে ব্যবহার করতে পারেন। মাত্রা হবে নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬ ইত্যাদি) ৫ থেকে ১০ ফোটা করে রোজ তিনবার।

Nux vomica – ভয়ানক বদমেজাজের জন্য নাক্স ভমিকা, ক্যামোমিলা কিংবা ক্যালি আয়োড ( ৩০,২০০) খান।

সরাসরি online থেকে Nux vomica  নাক্স ভমিকা ঔষধ ক্রয় করুন !